- দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
- জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে জামায়াতের বিক্ষোভ
- ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশে পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত হামলা, লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস ও বলপ্রয়োগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
- 🐄🌙 পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কারের আহ্বান 🌙🐄
- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জবাসীসহ দেশবাসী ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।
রূপগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের ইউনিট সভাপতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত
তারিখ : ১৫.০৫.২৬
রূপগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের ইউনিট সভাপতি সম্মেলন অনুষ্ঠিত
একটি বৈষম্যহীন মানবিক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের জন্য ইসলামি আদর্শের বিকল্প নেই
---------------------------
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার বলেছেন, একটি বৈষম্যহীন মানবিক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের জন্য ইসলামি আদর্শের বিকল্প নেই।
তিনি আজ ১৫ মে জুমাবার সকালে তারাবো পৌর অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর ইউনিট সভাপতি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য এডভোকেট ইসরাফিল হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা আমীর মুহাম্মদ মমিনুল হক সরকার, কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান, সদ্য সমাপ্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ -১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লা, ইসলামি ছাত্র শিবিরের জেলা সভাপতি আকরাম হোসাইন প্রমূখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, ইসলাম মানবতার মুক্তি সনদ। মানব জীবনের সব সমস্যার সমাধান দিতে পারে কেবলমাত্র আল কুরআন। কুরআনের বিধানই কেবলমাত্র সব বৈষম্য দূর করে একটি কল্যাণময় রাষ্ট্র গঠন করতে পারে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ মমিনুল হক সরকার বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ জেলার প্রতিটি পাড়ায় মহল্লায় জামায়াতে ইসলামীর মজবুত সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের প্রত্যাশা ছিলো পুরোনো রাজনৈতিক অপসংস্কৃতির মূলোৎপাটন করে বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়া হবে। এ জন্য জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছিলো। কিন্তু নির্বাচনের পর ক্ষমতাসীন মহল জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে যে গাদ্দারী জনগণ এর সমূচিৎ জবাব দিবে ইনশাআল্লাহ।
আনোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, পুরোনো রাজনৈতিক অপসংস্কৃতিতে রূপগঞ্জে চাদাবাজি, দখলবাজি, সন্ত্রাস, মাদক এবং প্রকাশ্যে অস্ত্র উচিয়ে গোলাগুলির যে ধারা আবার শুরু হয়েছে তা বন্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান।
সভাপতির বক্তব্যে ইসরাফিল হোসাইন বলেন, সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে জনগণ আবার রাজপথে নামবে এবং তাদের অধিকার আদায়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
সম্মেলনের শেষে জেলা আমীর মুহাম্মদ মমিনুল হক সরকার স্থানীয় নির্বাচনে উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের নাম ঘোষণা করেন। ঘোষিত প্রার্থীগণ হচ্ছেন :
উপজেলা চেয়ারম্যান - আবদুল মোতালিব ভূইয়া, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান - এডভোকেট ইসরাফিল হোসাইন।
কায়েতপারা ইউনিয়ন : এড. আবদুস সামাদ মোল্লা
দাউদপুর ইউনিয়ন : কামারুজ্জামান কামাল
মুড়াপারা ইউনিয়ন : হাফেজ ফেরদাউসুর রহমান
ভোলাব ইউনিয়ন : এড. রায়হান ইসলাম
ভুলতা ইউনিয়ন : মোহাম্মদ জাহাংগীর মোল্লা
দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ নারায়ণগঞ্জ মহানগরী ইউনিটের নবগঠিত কমিটি 2026
দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ নারায়ণগঞ্জ মহানগরী ইউনিটের নবগঠিত কমিটি 2026
সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আব্দুস সালাম (মাঝে), সেক্রেটারি মনিরুল আলম (ডানে), সহকারী সেক্রেটারি মোঃ মনির হোসেন) (বামে)।
নবগঠিত কমিটির সদস্যবৃন্দ সকলের দোয়া প্রার্থী।
ফি আমানিল্লাহ
প্রবন্ধ বিষয়ঃ গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন
প্রবন্ধ
বিষয়ঃ গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন
উপস্থাপনায় ঃ এডভোকেট আব্দুস সামাদ মোল্লা
সিনিয়র আইনজীবী, নারায়ণগঞ্জ জজ কোর্ট
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
সুধীমন্ডলী আপনারা সবাই অবগত আছেন যে, ২০২৪ সালের ছাত্র জনতার গনঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের কর্তৃত্ববাদী, ˆ¯^রাচারী এবং ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটে এবং শেখ হাসিনার সরকারের পতন হয়| অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ের সার্বজনীন রাজনৈতিক দাবি ছিল-রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় এমন মৌলিক সংস্কার আনয়ন, যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে কোন ব্যক্তি বা দল যেন পুনরায় একচ্ছত্র ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করতে না পারে| অর্থাৎ এই আন্দোলনের কেন্দ্রীয় লক্ষ্য ছিল “ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা এবং সাংবিধানিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা|”
এই গণআকাঙ্খাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার উদ্দেশ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন' গঠিত হয়, যেখানে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন| দীর্ঘ আলোচনার পর ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়, যার মধ্যে ৪৭টি ছিল সরাসরি সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত| এই প্রস্তাবসমূহ ২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহনে আনুষ্ঠানিকভাবে ¯^াক্ষরিত হয় যা “জুলাই জাতীয় সনদ” হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে|
এই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০২৫ সালের ১৩ নভে¤^র রাষ্ট্রপতি “জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫” জারি করেন এবং এই আদেশের মাধ্যমে সনদকে একটি কার্যকর আইনি কাঠামোর মধ্যে আনা হয় এবং জনগণের প্রত্যক্ষ মতামত গ্রহণের পথ উন্মুক্ত করা হয়|
এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই একটি ঐতিহাসিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়| নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই গনভোটে প্রায় ৬৮.৫৯ শতাংশ ভোটার “হ্যা” ভোট প্রদান করে জুলাই সনদের পক্ষে সুষ্পষ্ট সমর্থন ব্যক্ত করে| জনগনের প্রত্যক্ষ ম্যান্ডেট স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে যে, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা কেবল আইন প্রণেতা হিসেবে নয় বরং “সংবিধান পরিষদ“ এর সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় শপথ গ্রহণ করে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে জুলাই সনদের আলোকে সংস্কার সম্পন্ন করবেন| যে শপথ ইতোমধ্যে বিরোধীদল নিয়েছে|
অতএব, এই গণভোটের ফলাফলকে একটি সাধারণ রাজনৈতিক মতামত হিসেবে দেখা যায় না| এটি একটি সুষ্পষ্ট সাংবিধানিক নির্দেশনা যা জনগনের সার্বভৌম ক্ষমতার প্রত্যক্ষ বহিঃপ্রকাশ|
কিন্তু অতিব দুঃখের বিষয় নির্বাচনের পূর্বে বর্তমান সরকার যে অবস্থান গ্রহণ করেছিল, ক্ষমতায় আসার পর তার সম্পূর্ণ বিপরীত অবস্থান গ্রহণ করেছে| এই “চেয়ার বদলের সঙ্গে কথা বদল” কেবল রাজনৈতিক কৌশল নয়, এটি সরাসরি গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতার ভিত্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে|
পাতা-০২
এক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের মাননীয় আইনমন্ত্রী সরাসরি ¯^-বিরোধী অবস্থান গ্রহণ করেছেন|
বর্তমান সরকারের আইনমন্ত্রী অন্তবর্তী সরকারের সময় রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি এবং সেই আদেশের ওপর গণভোট আয়োজনের পক্ষে আইনি পরামর্শ প্রদান করেছেন| এমনকি তিনি মত দিয়েছিলেন যে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদ জুলাই সনদ বাস্তাবায়ন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে তা ¯^য়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে, অর্থ্যাৎ একটি 'চঁহরঃরাব সবপযধহরংস" যুক্ত কারার প্রস্তাবও তিনি দিয়েছিলেন|
কিন্তু ক্ষমতায় এসে একই ব্যক্তি এখন সেই আদেশকেই “সংবিধান বহির্ভূত ” বলে আখ্যায়িত করছেন| এটি একটি স্পষ্ট আইনি ও ˆনতিক ¯^বিরোধিতা| আইনমন্ত্রীর পথ অনুসরন করে ¯^রাষ্ট্রমন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী, প্রবাসী কল্যান ও ˆবদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং গণভোটের বিরুদ্ধে সক্রিয় অবস্থান গ্রহণ করেছেন| এই ধরনের অবস্থান কেবল রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ˆতরী করে না, বরং এটি জনগনের কাছে একটি বিভ্রান্তিকর ও অবিশ্বাসযোগ্য বার্তা প্রদান করে| মূলত ক্ষতাসীন সরকার জুলাই সনদ ও গণভোটকে একটি নীতিগত অঙ্গীকার হিসেবে নয়, বরং একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে| নির্বাচনের আগে জনসমর্থন অর্জনের জন্য তারা যে অবস্থান নিয়েছিল, ক্ষমতায় এসে সেই অবস্থান থেকে সরে এসে তারা এখন জবাবদিহিতা এড়িয়ে যেতে চাইছে| সাংবিধানিক ভাষায় এটিকে সুষ্পষ্ট জনবিশ্বাস ভঙ্গ (নৎবধপয ড়ভ ঢ়ঁনষরপ ঃৎঁংঃ)|
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের উপায় সমূহঃ
১| তীব্র গণআন্দোলনঃ বর্তমান বিএনপি সরকার গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নে গড়িমসি এবং তীব্র অনিহা
প্রকাশ করছে| যদি সরকার গণভোটের গণরায় না মানে তাহলে জুলাই সনদের পক্ষের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, গণঅভ্যুত্থান থেকে জন্ম নেওয়া দলসমূহকে অন্যান্য সমমনা ছোটখাট রাজনৈতিক দল এবং নাগরিক সমাজকে সাথে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে|
২| সংসদে চাপ সৃষ্টিঃ যদিও বিএনপি দুই তৃতীয়াংশ সখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে তথাপিও সংসদে গণভোটের
গণরায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে অন্যান্য ছোটখাট রাজনৈতিক দল এবং ¯^তন্ত্র
এমপিদের যৌথ উদ্যোগে সংস্কার প্রস্তাবগুলো পার্লামেন্টে পেশ করে আইন পাশের জন্য সরকারের|উপর
ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করতে হবে|
৩| নোট অব ডিসেন্ট হিসেবে চিহ্নিতকারীঃ জনগণ ও সুশীল সমাজ কর্তৃক বিএনপিকে “নোট অব ডিসেন্ট বা
গণরায় অমান্যকারী” হিসাবে চিহ্নিত করতে হবে|
৪| সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনঃ জুলাই সনদ অনুযায়ী তথা গণভোটের গণরায় অনুযায়ী সংস্কারগুলো
বাস্তবায়নের জন্য নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি "সংবিধান সংস্কার পরিষদ" গঠন করে
১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধান সংশোধন সম্পন্ন করার জন্য আইনি চাপ প্রয়োগ করতে হবে|
৫| সংবাদ মাধ্যম ও নাগরিক সমাজের ভূমিকাঃ মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়া এবং নাগরিক সমাজের মাধ্যমে
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জনমত গঠন করা এবং সরকারের উপর ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করতে হবে|
মূলত, বিএনপি যদি সাংবিধানিক উপায়ে (সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে) জুলাই সনদ তথা গণভোটের
গণরায় বাস্তবায়ন না করে তাহলে রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমেই গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করতে
হবে|
পাতা-০৩
উপরোক্ত সাংবিধানিক, আইনি ও নীতিগত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে নিম্নলিখিত দাবিসমূহ একটি যৌক্তিক ও অনিবার্য পরিণতি হিসেবে উপস্থাপিত হচ্ছে:
ক) 'জুলাই সনদ'-এর অবিকৃত ও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন (অং রঃ রং ওসঢ়ষবসবহঃধঃরড়হ):
গণভোটে জনগণের ম্যান্ডেট সনদের সামগ্রিকতার ওপর দেওয়া হয়েছে, কোনো পৃথক ধারার ওপর নয়| তাই সনদের কোনো অংশ কাটছাঁট, দলীয় ব্যাখ্যায় খণ্ডিত বা সংশোধন না করে অবিল¤ে^ তা হুবহু (ধং রঃ রং) বাস্তবায়ন করতে হবে|
খ) সংবিধান সংস্কার পরিষদ'-এর কার্যক্রম অবিল¤ে^ শুরু:
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের নির্দেশনা অনুযায়ী, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অবিল¤ে^ “সংবিধান সংস্কার পরিষদ”-এর সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় শপথ গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে| কোনো ধরনের কালক্ষেপণ ছাড়াই নির্ধারিত ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সমগ্র সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে|
গ) সংস্কার প্রক্রিয়ায় শতভাগ ¯^চ্ছতা ও জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিতকরণ:
সংবিধান সংস্কারের প্রক্রিয়াটি যেন পুনরায় দলীয় বৃত্তে বা সিদ্ধান্তে বন্দি না হয়, সেজন্য এর প্রতিটি ধাপে শতভাগ ¯^চ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে| সংস্কারের খসড়া প্রস্তাব প্রকাশ, জনসম্মুখে উন্মুক্ত আলোচনা এবং নাগরিক সমাজের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করতে হবে|
ঘ) সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পূর্ণাঙ্গ ¯^াধীনতা নিশ্চিতকরণ:
জুলাই সনদের প্রস্তাবনা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) এবং মহাহিসাব-নিরীক্ষক (সিএজি)-সহ সকল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে অবিল¤ে^ ও কার্যকরভাবে ¯^াধীন করতে হবে| এসব প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সব ধরনের দলীয় প্রভাব বা হস্তক্ষেপ চিরতরে দূর করতে হবে|
ঙ) সময়সীমা লঙ্ঘনে ¯^য়ংক্রিয় বাস্তবায়ন ব্যবস্থা (চঁহরঃরাব গবপযধহরংস) কার্যকর:
যদি কোনো অজুহাতে বা রাজনৈতিক কূটচালে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা না হয়, তবে কালক্ষেপণ রোধে গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে তা ¯^য়ংক্রিয়ভাবে বাস্তবায়িত হওয়ার আইনি ব্যবস্থা (চঁহরঃরাব গবপযধহরংস) অবিল¤ে^ সক্রিয় করতে হবে|
তারিখ: ৮মে ২০২৬ জুমাবার
সময় ঃ বিকাল ৩:০০টা
স্থানঃ শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তন, নারায়ণগঞ্জ
জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্যের গণসমাবেশ ও গণমিছিল
জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্যের গণসমাবেশ ও গণমিছিল
নারায়ণগঞ্জে জুলাই সনদ ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে গণসমাবেশ ও গণমিছিল করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। শনিবার (২ মে) বিকাল ৫টায় শহরের চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের জেলা নেতৃবৃন্দ বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করেন। বক্তারা বলেন বর্তমান সরকার জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে কালক্ষেপণ করছে।সরকারের এই ‘তালবাহানা’ বিগত ফ্যাসিবাদকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে।নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "মুখে এক আর অন্তরে আরেক—এটা মুনাফেকির লক্ষণ। জনগণের সাথে এমন আচরণ মেনে নেওয়া হবে না।"
গণমিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ১১ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার। তিনি বলেন,"অবিলম্বে গণভোটের রায় এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। রক্ত নিয়ে বাংলাদেশের জনগণ আর খেলতে চায় না। যদি জনগণের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন করা না হয়, তবে আমরা রাজপথে কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।"
বিকাল ৫টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ শেষে একটি বিশাল গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি চাষাঢ়া থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ২নং রেলগেট হয়ে ডিআইটি মসজিদের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
কর্মসূচিতে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জামায়াতের মজলিসে শুরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের নায়েবে আমীর আব্দুল কাইয়ুম, সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন, এইচ এম নাসির উদ্দিন, মহানগর খেলাফত মজলিসের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুফতী শাব্বীর আহমাদ, জেলা এনসিপির আহবায়ক যোবায়ের আহমেদ,জেলা জামায়াতের আমীর মমিনুল হক সরকার, জেলা সেক্রেটারি হাফিজুর রহমান।
এনসিপি মহানগর আহবায়ক শওকত আলীর সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন এনসিপি নেতা জাবেদ আলম, নিরব রায়হান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সহ জোটের জেলা ও মহানগর পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশ থেকে আগামী দিনে দাবি আদায়ে আরও বৃহত্তর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে তা হবে শহীদের রক্তের সাথে বেইমানী'—নারায়ণগঞ্জে জামায়াতের সেমিনারে নেতৃবৃন্দ
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে তা হবে শহীদের রক্তের সাথে বেইমানী'—নারায়ণগঞ্জে জামায়াতের সেমিনারে নেতৃবৃন্দ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর উদ্যোগে আজ শুক্রবার (০৮ মে) নারায়ণগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমিতে ‘গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সেমিনারে বক্তারা জুলাই বিপ্লবের চেতনা ও 'জুলাই সনদ' বাস্তবায়নে সরকারের বর্তমান ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও বাংলাদেশ ল'ইয়ার্স কাউন্সিলের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ। তিনি বলেন, "২০২৪ সালের পরবর্তী ২৭০ দিনে প্রায় ৪৭টি প্রস্তাবনা ছিল এবং সিদ্ধান্ত ছিল একই দিনে গণভোট হবে।তিনি সরকারের প্রতি তীব্র সমালোচনা করে বলেন, আপনারা বিশ্বাস ভঙ্গ করেছেন, জনগণের সাথে প্রতারণা করছেন।"
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "আন্দোলনে ১৩৭ জন শিশুর জীবননাশ হয়েছে, যা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। রাষ্ট্রপতির আদেশে যদি গণভোট সঠিক না হয়, তবে এই সংসদও সঠিক নয়। জুলাই আন্দোলনের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব জামায়াতে ইসলামীর। অথচ জুলাই সনদ অনুযায়ী দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী না থাকার বিধান এবং দুর্নীতি দমনের রূপরেখা থাকলেও বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকে দলীয় ও ঋণখেলাপি গভর্নর নিয়োগ দিয়ে রাষ্ট্রকে সংকটে ফেলা হচ্ছে।" তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা জনগণের বিপক্ষে কাজ করবে, তাদের পরিণতি শেখ হাসিনার মতোই হবে।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা বলেন, "আবু সাঈদ বুক পেতে দিয়েছিল কিন্তু তার বিনিময়ে আমরা কী পেলাম? বাংলাদেশ ব্যাংকে দলীয় লোক বসানো হয়েছে। দেশে প্রতিদিন খুন-ধর্ষণ চলছে। মনে রাখবেন, আপনারা জুলাই বিপ্লবের রক্তের বিনিময়ে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। তরুণ সমাজ সবকিছু বোঝে; জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে জনগণ কঠোর ব্যবস্থা নেবে।"
কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ বলেন, দেশের মানুষ বর্তমান সরকারের কাছে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন চায়। দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী না হওয়া এবং সমাজকে জুলুম-চাঁদাবাজ মুক্ত করা এখন সময়ের দাবি।
সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার আল মামুন রাসেল সংবিধানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, সরকারি দল জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালনের প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল জব্বার। তিনি বলেন, "জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হওয়া মানে শহীদের রক্তের সাথে গাদ্দারি করা। আমরা শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না। জুলাই সনদ কার্যকর না হলে স্বৈরাচারীদের মতো তাদের ও বিদায় ঘণ্টা বাজবে।
নারায়ণগঞ্জ মহানগরী সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মনোয়ার হোসাইন ও এডভোকেট আব্দুস সামাদ মোল্লার সঞ্চালনায় সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা আমীর মাওলানা মমিনুল হক সরকার, মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরী নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুল কাইয়ূম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ জেলার সভাপতি মাওলানা ওবাইদুর রহমান নদভী, এনসিপির মহানগর আহবায়ক শওকত আলী, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন ও এইচ এম নাসির উদ্দিন, এবি পার্টি জেলা সভাপতি শাহজাহান খান, আইনজীবী ফোরাম সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর দেওয়ান, জুলাই যোদ্ধা শহীদ আদিলের পিতা এবং জুলাই যোদ্ধা সুমন।
এছাড়াও ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ, ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মহিব্বুর রহমান, এবং মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি অমিত হাসানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উক্ত সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা ঐক্যবদ্ধভাবে জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
জনগন জামায়াত কে ভোট দেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়ে নিছে- আবদুল জব্বার
মদনপুর,মদনগঞ্জ রাস্তাটি সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
ডাকসু নির্বাচনে শিবিরের প্যানেল বিজয়ী হওয়ায় মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমদ এর অভিনন্দন
আলহামদুলিল্লাহ !
নারায়ণগঞ্জকে MRT-2 (মেট্রোরেল) প্রকল্পে যুক্ত করার দাবিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক এর নিকট বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর স্মারকলিপির প্রদান
৯ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জকে MRT-2 (মেট্রোরেল) প্রকল্পে যুক্ত করার দাবিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক এর নিকট স্মারকলিপির প্রদান করেন......... বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সম্মানিত আমীর মাওলানা মো:আবদুল জব্বার । কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ তিনি বলেন বিগত সময়েও নারায়ণগঞ্জবাসীকে সকল ধরনের সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, শুধুমাত্র বিভিন্ন ধরনের আশ্বাস দিয়ে রেখেছিলেন। ঠিক একইভাবে অন্তবর্তী কালীন সরকারের সময়ও এই নারায়ণগঞ্জবাসীকে মেট্রো রেলের আশা দেখানো হচ্ছে।বর্তমান সময়ে আমরা কোন কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী, মেট্রোরেলের সুযোগ সুবিধা থেকে নারায়ণগঞ্জবাসীকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করলে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিহত করা হবে। এটি কোন রাজনৈতিক ইসু নয়, দেশের অন্যান্য জেলার মানুষের মতো নারায়ণগঞ্জের মানুষও এদেশের নাগরিক মেট্রোরেল কে নারায়ণগঞ্জে বাস্তবায়ন করার জন্য দল-মত নির্বিশেষে আমরা সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রয়োজনে লংমার্চ করে ঢাকায় অবস্থান নিব। নারায়ণগঞ্জে মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়ন করার জন্য যা যা করা দরকার তা তা করা হবে।