- দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
- জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে জামায়াতের বিক্ষোভ
- ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশে পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত হামলা, লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস ও বলপ্রয়োগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
- 🐄🌙 পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কারের আহ্বান 🌙🐄
- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জবাসীসহ দেশবাসী ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।
যুব সমাজকে গড়ে তুলতে হলে কোরআন ও ইসলাম ছাড়া অন্য বিকল্প নেই: মুহাম্মদ আবদুল জব্বার
সিদ্ধিরগঞ্জে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী উত্তর থানা শাখার উদ্যগে এক বিশাল সহযোগী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ১লা মে বিকাল ৪ টায় অনুষ্ঠিত উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়নগঞ্জ মহানগরীর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার। উক্ত সমাবেশে সিদ্ধিরগঞ্জ উত্তর থানা শাখার আমির মাওলানা মোস্থফা কামালের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন নারায়নগঞ্জ মহানগর সেক্রেটারী ইঞ্জিঃ মনোয়ার হোসাইন ও সহকারী সেক্রেটারী মোহাম্মদ জামাল হোসাইন।
সমাবেশে প্রধান অতিথি মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, আজ মহান মে দিবস । আজকের এ দিনে শ্রমের উপযুক্ত মূল্য ও দৈনিক ৮ ঘন্টা কাজের দাবিতে ১৮৮৬ সালে সংগ্রামের সূচনা হয়েছিলো। শেষন ও নির্যাতন হতে মেহনতি মানুষের মুক্তি, তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় এবং সামজিক সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে বর্তমানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বদ্ধ পরিকর। এর ধারাবাহিকতায় নারায়গঞ্জ মহানগরী মেহনতী মানুষের জন্য বেশ কিছু কর্মসূচি হাতে নিয়েছে যা বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধ পরিকর। জামায়াত ইসলামী ক্ষমতায় এলে এ সব মেহনতি মানুষের জন্য নারায়নগঞ্জে একটি হাসপাতাল করা হবে। যেখানে শুধেু শ্রমিক ও অসহায় মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হবে। নরী শ্রমীকদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ করে গার্মেন্স নারী কর্মীদের নিরাপত্তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে গার্মেন্স নারী কর্মীদের নিরাপত্তার তেমন সুব্যবস্থা নাই। আমরা ক্ষমতায় গেলে এ সব নারী কর্মীদের নিরাপত্তার সুব্যবস্থ নিশ্চিত করব। তিনি আরও বলেন, আপনারা জানেন বিগত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের সময় আমরা আপনাদের কাছে কোনো সামাজিক কাজ নিয়ে আসতে পারিনি। এমন কি মসজিদের ইমাম পর্যন্ত কথা বলতে পারে নাই। কিন্তু এখন সময় এসেছে। ছাত্র জনতার আন্দোলনের মুখে ফ্যসিস্ট হাসিনা পালিয়ে গেছে। তাই দল মত নির্বিশেষে এক হয়ে দেশ ও জাতির জন্য একযোগে কাজ করতে হবে। দেশ পুনর্ঘঠনে সকলকে এক্যবদ্ধ থেকে কাজ করে যেতে হবে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যতদিন থাকবে ততদিন মানুষকে কোরআনের দিকে, ইসলামের দিকে ডাকবে এবং ন্যায়ের পথে থাকার জন্য আহ্বান জানাবে। বর্তমানে যে আইন চালু আছে সে আইনে কোন মানুষের শান্তি নাই, সমাজে শান্তি নাই এমন কি পরিবারেও শান্তি নাই। বিগত সরকার দেশের সমস্ত প্রতিষ্ঠান গুলোকে ধংশ করে গেছে। শুধু দেশ নয় তারা পরিবারগুলোকেও ধংশ করে ফেলেছে। যুবকদেরকে মাদকাসক্ত করে যুব সমাজকে পঙ্গু করে ফেলেছে। তাই দেশ সমাজ পরিবার এবং যুব সমাজকে গড়ে তুলতে হলে কোরআন ও ইসলাম ছাড়া অন্য বিকল্প নেই। বাংলাদেশ জামায়াত ইসলাম সে লক্ষেই কাজ করে যাচ্ছে।
উক্ত সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, মজলিশে শূরা সদস্য ইঞ্জিঃ আব্দুল বাকি, থানা কর্মপরিষদ সদস্য কামরুজ্জামান রিংকু, থানা সেক্রেটারি কামরুল ইসলাম রিপন, ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুল খালেক, রমজান আলি খান, নাছির উল্লাহ প্রধান, নাছির উদ্দিন, রাকিব, ইব্রাহিম খলিল, সাইদুল হক, শহিদুল ইসলাম, শাহনেওয়াজ দিপু প্রমুখ।
আল্লাহর জমিনে আল্লাহর আইন বাস্তবায়ন হলেই শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে- মুহাম্মদ আবদুুল জব্বার
১মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যােগে সমাবেশ ও র্যালির আয়োজন করা হয়। র্যালিটি শহরের চাষাঢ়া হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক গুলো পদক্ষিন করে মিশনপাড়া মোড়ে এসে শেষ হয়। র্যালিতে অংশগ্রহণ শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদের সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল জব্বার। এসময় তিনি বলেন মানুষের বানানো কোন তন্ত্র, মন্ত্র দিয়ে শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব না। শ্রমিকের শরীরেরের ঘাম শুকানোর আগে ন্যায অধিকার দিতে পারে একমাত্র আল্লাহর আইন আল কুরআন। তিনি আরো বলেন বিগত আমলে একদলকে দেখেছি তারা বড় বড় কথার বুলি দিয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট করে শ্রমিকদের করেছে বঞ্চিত। এধরনের অন্যায় যারা করবে তাদেরকে শ্রমিক জনতা রুখে দিবে।
উক্ত সমাবেশ ও র্যালিতে নারায়ণগঞ্জ মহানগরী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সভাপতি হাফেজ আবদুুল মোমিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সোলাইমান হোসাইন মুন্নার সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদানে উপস্থিত ছিলেন মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন, এইচ এম নাসির উদ্দিন, মহানগরী কর্ম পরিষদের সদস্য মাওলানা সাইফুূদ্দিন মনির, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন মহানগরী সহ-সভাপতি মুন্সী মোঃ আব্দুল্লাহ ফাইইসুল, সহ-সভাপতি মোশারফ হোসেন, অফিস সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম সিকদার, সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম, মহানগরীর কোষাধক্ষ্য খোরশেদ আলম রবিন, নির্বাহী সদস্য এরশাদ খান ইকবাল হোসাইন আক্তার হোসেন, মহানগরী ও থানা শ্রমিক ফেডারেশন ও বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক এর হাতে ২৪ এর জুলাই আগস্ট আন্দোলনের শহীদদের স্মারক তুলে দিচ্ছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ
আল্লাহর জমিনে আল্লাহর আইন বাস্তবায়নে জামায়াতে ইসলামী কাজ করে যাচ্ছে - মুহাম্মদ আবদুল জব্বার
রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনের ব্যাখা প্রদান ডা: তাহেরের
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের গত ২৭ এপ্রিল বাংলাদেশ সফররত চীনা কম্যুনিস্ট পার্টির সাথে বৈঠকের পর এ সম্পর্কে যে ব্রিফিং দিয়েছেন তাতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে তাঁর বক্তব্যের ব্যাখ্যা প্রদান করে ২৮ এপ্রিল নিম্নোক্ত বিবৃতি প্রদান করেছেন:-
“গত ২৭ এপ্রিল বাংলাদেশ সফররত চীনা কম্যুনিস্ট পার্টির সাথে বৈঠকের পর প্রেস ব্রিফিং-এ আমি যে বক্তব্য দিয়েছি তাতে মূলত বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক ও নিরাপদভাবে তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন করার ব্যবস্থা ও তাদের জন্য একটি নিরাপদ অঞ্চল গড়ে তোলার বিষয়টি বুঝাতে চেয়েছি। আমার বক্তব্যের মাধ্যমে কোনো ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হলে তা এ বিবৃতির মাধ্যমে নিরসন হবে বলে আমি আশা করি। এটিই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দৃষ্টিভঙ্গি
আমীরে জামায়াতের সাথে ইইউ এর রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
বন্দর ২৪ নং ওয়ার্ড জামায়াতের উদ্যােগে গণসংযোগ পক্ষ উপলক্ষে সহযোগী সমাবেশ অনুষ্ঠিত
অগ্রহণযোগ্য ও বিতর্কিত নারী বিষয়ক সুপারিশমালা অবিলম্বে বাতিল ঘোষণা করতে হবে -অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ২০ এপ্রিল প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেছেন, নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশমালা পবিত্র কুরআনের বিধানের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক এবং ইসলাম ও মুসলিম পরিচয়ের অস্তিত্বের ওপর একটি সুপরিকল্পিত আঘাত। এই প্রস্তাবনার মাধ্যমে দেশের ধর্মীয় ভারসাম্য, পারিবারিক কাঠামো ও সামাজিক স্থিতিশীলতাকে ধ্বংস করার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। তিনি অবিলম্বে অগ্রহণযোগ্য ও বিতর্কিত নারীবিষয়ক সুপারিশমালা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ১৯ এপ্রিল শনিবার নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রধান শিরীন পারভীন হকের নেতৃত্বে কমিশনের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টার কাছে যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন, তা ইসলাম ও মুসলমানদের ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যশীল নয়। কমিশনের সুপারিশমালার ২৫ পৃষ্ঠায় মুসলিম উত্তরাধিকার আইন বাতিল করে নারী-পুরুষকে সমান সম্পত্তি দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। আমরা মনে করি, বাংলাদেশে প্রচলিত মুসলিম পারিবারিক ও উত্তরাধিকার আইন মূলত আল্লাহ তাআলার নির্ধারিত উত্তরাধিকার বিধান দ্বারা রচিত। এটিকে বাতিল করার অর্থ সরাসরি কুরআনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া। এটি শুধু শরীয়তের অবমাননাই নয়, বরং মুসলিম পরিচয়ের মূলে কুঠারাঘাত।
তিনি বলেন, পবিত্র কুরআনে যিনাকে মহাপাপ ও ঘৃণ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। অথচ প্রদত্ত সুপারিশমালায় যিনাকে উৎসাহিত এবং বিবাহকে নিরুৎসাহিত করে সরাসরি পবিত্র কুরআনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া হয়েছে। আমরা মনে করি এই ধরনের প্রস্তাবনা সমাজে চরম অস্থিরতা সৃষ্টি করবে। সমাজকে অস্থিতিশীল করার সর্বনাশা চক্রান্তে কারা কলকাঠি নাড়ছে এবং মুসলিম পারিবারিক ও উত্তরাধিকার আইন নিয়ে কারা ছিনিমিনি খেলছে জাতির সামনে অতি দ্রুত তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে।
তিনি বলেন, কমিশনের সুপারিশমালার ৯ম পৃষ্ঠায় সকল ধর্মের জন্য অভিন্ন পারিবারিক আইন প্রণয়নের প্রস্তাব করা হয়েছে; যা বাস্তবায়ন করা হলে মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ সবাইকে ধর্মীয় পারিবারিক বিধান থেকে বিচ্ছিন্ন করে একটি ধর্মহীন কাঠামোয় আসতে বাধ্য করা হবে। এটি ধর্মীয় স্বাধীনতার চরম লঙ্ঘন। ৯ম পৃষ্ঠায় আরও বলা হয়েছে, জাতিসংঘ প্রণীত CEDAW সনদের অধীনে বিবাহ ও পারিবারিক ক্ষেত্রে আইনের বাস্তবায়ন করা দরকার। আমাদের বক্তব্য হল, CEDAW-এর অনেক শর্ত সরাসরি ইসলামবিরোধী; যেখানে বিয়েকে শুধু একটি সামাজিক চুক্তি হিসেবে দেখা হয় এবং ইসলামী নিকাহ ও অভিভাবকত্বের মতো মৌলিক ধারণাগুলোর বিরোধিতা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, উক্ত সুপারিশমালার ৯ম পৃষ্ঠার আরেক জায়গায়, নারী-পুরুষের পারিবারিক ভূমিকাকে অভিন্নভাবে দেখার প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশের ইসলামিক স্কলাররা মনে করেন, ইসলাম নারী-পুরুষের মর্যাদা সমান মনে করলেও, তাদের ভূমিকায় প্রাকৃতিক পার্থক্যকে স্বীকার করে। তাই ‘নারী-পুরুষের পারিবারিক ভূমিকাকে অভিন্নভাবে দেখার’ প্রস্তাবটি ইসলামী সমাজব্যবস্থাকে বিকৃত করার অপপ্রয়াস ছাড়া আর কিছুই নয়।
এমতাবস্থায় দেশের বিজ্ঞ আলেম সমাজসহ আমরা মনে করি, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার উপরোক্ত বিষয়াদি সুবিবেচনায় নিয়ে জনগণের ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবেন এবং দেশের সকল ধর্মের নাগরিকদের ধর্মীয় বিধান সমুন্নত রেখে এ অগ্রহণযোগ্য ও বিতর্কিত সুপারিশমালা অবিলম্বে বাতিল ঘোষণা করবেন।
সর্বস্তরের জনগণের প্রতি ইসরাইলি পন্য বর্জন করার আহবান জানালেন - মাওলানা মঈন উদ্দিন আহমাদ
জয়নুল আবেদীন ফারুকের মিথ্যা ভিত্তিহীন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ