- দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
- জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে জামায়াতের বিক্ষোভ
- ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশে পুলিশ কর্তৃক পরিচালিত হামলা, লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস ও বলপ্রয়োগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
- 🐄🌙 পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কারের আহ্বান 🌙🐄
- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জবাসীসহ দেশবাসী ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচির গণজমায়েতে।
ঢাকার রাজপথে মানুষের ঢল
ভোটের মাধ্যেমে সমাজে সৎ লোকের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে - মুহাম্মদ আবদুল জব্বার
আল্লাহর আইন ও সৎ লোকের শাসন প্রতিষ্ঠা হলেই দেশে পূর্নাঙ্গ ভাবে শান্তি ফিরে আসবে- মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ
ফিলিস্তিনে ইতিহাসের নিকৃষ্ট হামলা ও আগ্রাসনের প্রতিবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর বিক্ষোভ মিছিল
শহীদ নেতৃবৃন্দের জীবন কুরবানী ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করেছে -মাওলানা আবদুল হালিম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম বলেছেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ আমলে শহীদ নেতৃবৃন্দের জীবন কুরবানী ও হাজার হাজার নেতাকর্মীর অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্ট ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত করেছে। সংগঠন কর্তৃক ১১-২৫ এপ্রিল, দেশব্যাপী ঘোষিত গণসংযোগ পক্ষ পালনের মাধ্যমে সর্বস্তরের জনগণের কাছে বৈষম্য মুক্ত ও ইনসাফপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণে দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে।
প্রধান অতিথি আরও বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট ও তাদের দোসরদের বিচারের লক্ষ্যে গণঅভ্যুত্থানের সব পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে। কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিলুপ্তি ও সকল দল ও শ্রেণী-পেশার মানুষের রাষ্ট্র পরিচালনায় সম্পৃক্ততার জন্য সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতি (পিআর) অপরিহার্য।
তিনি বলেন, আগামী দিনে স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনে ভালো ফলাফল লাভের জন্য জনগণের আকাক্সক্ষা ধারণ করে তৃণমূলে সংগঠনের বিস্তৃতি ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম বাড়াতে তিনি দায়িত্বশীলদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
প্রধান অতিথি মাওলানা আবদুল হালিম তৃণমূল পর্যায়ে সকল ইসলামী দল ও ব্যক্তির সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং সম্পর্ক বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর সাবেক ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মজলুম জননেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তি দাবি করেন এবং গাজার মুসলমানদের ওপর ইসরাইলিদের বর্বরোচিত হামলা ও ধারাবাহিক আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানান। তিনি গাজাবাসীর মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
৫ এপ্রিল (শনিবার) সকাল ১০টায় দিনাজপুর জেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও দিনাজপুর জেলা আমীর অধ্যক্ষ আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা সেক্রেটারি মুহাদ্দিস ডক্টর এনামুল হকের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক জেলা আমীর ও চিরির বন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান, চিরিরবন্দর-খানসামা সংসদীয় আসনের জননেতা আফতাব উদ্দীন মোল্লা, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য, সাবেক জেলা আমীর ও বিরামপুর-নবাবগঞ্জ-হাকিমপুর-ঘোড়াঘাট সংসদীয় আসনের জননেতা আনোয়ারুল ইসলাম, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য, সাবেক বিরল উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও বিরল-বোচাগঞ্জ সংসদীয় আসনের জননেতা অধ্যক্ষ একেএম আফজালুল আনাম, পার্বতীপুর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, ফুলবাড়ী-পার্বতীপুর সংসদীয় আসনের জননেতা আনোয়ার হোসেন, দিনাজপুর সদর আসনের জননেতা অ্যাডভোকেট মাইনুল আলম, বীরগঞ্জ-কাহারোল সংসদীয় আসনের জননেতা মতিউর রহমান, শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি রাজিবুর রহমান পলাশ, শিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও দিনাজপুর শহর সভাপতি মুশফিকুর রহমান, জেলা উত্তর সভাপতি রাসেল রানা ও জেলা দক্ষিণ সভাপতি সাজিদুর রহমান সাজু প্রমুখ।
দায়িত্বশীল সমাবেশে জেলা কর্মপরিষদ সদস্যবৃন্দ, জেলা মহিলা বিভাগের দায়িত্বশীলাগণ, ছাত্রশিবিরের দিনাজপুর শহর, জেলা উত্তর, জেলা দক্ষিণ শাখার দায়িত্বশীলগণ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা দায়িত্বশীলগণ, ছাত্রী সংস্থার জেলা দায়িত্বশীলাসহ বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বশীলগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য যে, সকাল ৮টায়, দিনাজপুর শহর জামায়াতের এক দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম। শহর আমীর সিরাজুস সালেহীনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা আমীর অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি মুহাদ্দিস ডক্টর এনামুল হক ও জেলা সহকারী সেক্রেটারি রাজিবুর রহমান পলাশ প্রমুখ।
ভারতে মুসলিম স্বার্থবিরোধী ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাস ও বিজেপি সরকারের ধারাবাহিক মুসলিমবিরোধী পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ -অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার
ভারতে মুসলিম স্বার্থবিরোধী ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাস ও বিজেপি সরকারের ধারাবাহিক মুসলিমবিরোধী পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ৫ এপ্রিল এক বিবৃতি প্রদান করেছেন:-
বিবৃতিতে তিনি বলেন, “ভারতে মুসলিম স্বার্থবিরোধী ওয়াকফ সংশোধনী বিল পাস ও বিজেপি সরকারের ধারাবাহিক মুসলিমবিরোধী পদক্ষেপে আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। গত ৩ এপ্রিল ভারতের লোকসভায় পাসকৃত বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী বিল মুসলমানদের ধর্মীয় স্বাধীনতা, মালিকানা ও অধিকার হরণে বিজেপি সরকারের সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টার আরেকটি ঘৃণ্য দৃষ্টান্ত। এই আইনের মাধ্যমে মুসলিমদের দানকৃত মসজিদ, মাদরাসা, কবরস্থান ও আশ্রয়কেন্দ্রের মতো ধর্মীয় সম্পদগুলোতে সরকারি হস্তক্ষেপ ও দখলের পথ তৈরি করা হয়েছে।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, সংশোধনী বিলে ওয়াকফ বোর্ড ও কেন্দ্রীয় ওয়াকফ কাউন্সিলে অমুসলিম ২ জন সদস্য রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফলে ওয়াকফ বোর্ডের ক্ষমতা অনেকটাই খর্ব হয়ে যাবে, যা মুসলমানদের জন্য চরম উদ্বেগের বিষয়। এর মাধ্যমে মুসলমানদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নগ্ন হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা বাড়বে। আমরা মনে করি, রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যেই এই বিল পাশ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে ভারতে ২৫ কোটির বেশি মুসলমানের বসবাস। ভারতে হাজার বছরের পুরনো মসজিদ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নানা কূটকৌশলে ধ্বংস করা হচ্ছে। মুসলমানদের অন্যতম শরীয়তের বিধান ‘তিন তালাক’ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। লাভ ম্যারিজের নামে ধর্মান্তর প্রক্রিয়াকে সীমিত করা হয়েছে। গরুর গোশত রাখার অযুহাতে মুসলমানদের প্রায়ই পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। মুসলমানদের ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে বাধ্য করা হচ্ছে। ভারতের বিজিপি সরকারের এসব কর্মকান্ডই প্রমাণ করা তারা চরম মুসলিম বিদ্বেষী।
আমরা ভারতের বিজিপি সরকারকে এসব মুসলিম বিদ্বেষী অপতৎপরতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে আশা প্রকাশ করছি যে, তারা ভারতের মুসলমানদের জীবন, সহায়-সম্পত্তিসহ সকল স্বার্থরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং তাদের নিরাপত্তা বিধানে সব ধরনের ব্যবস্থা নিবে।”
দখলদারিত্ব ও জুলুমবাজদের দিয়ে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয় - মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ
চাদাঁবাজ ও দখলদারিত্বমুক্ত বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে- মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ
লাঙ্গলবন্দে হিন্দু ধর্মালম্বীদের স্নানকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরা জোরদার করার আহবান মাওলানা মঈনুদ্দীন আহমাদের
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বন্দর ইউনিয়নের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ বন্দর ইউনিয়নের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বন্দর ইউনিয়ন কুশিয়ারা এলাকার জুলাই-আগস্ট বিপ্লব ২৪ এর শহীদ আবুল হাসান সুজন এর গর্বিত পিতা মো: জাকির হোসেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তিনি বলেন, গত বছর আমার সন্তানকে নিয়ে ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছি কিন্তু এই বছর আমার সন্তান আর আমার কাছে নাই, সন্তানহারা পিতার ঈদ সত্যি খুব কষ্টের।আমি সকল শহীদদের হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।
ইউনিয়ন আমির জনাব মোঃ আব্দুল করিমের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন সেক্রেটারি জনাব মোঃ মাহবুবুর রহমানের উপস্থাপনায়
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগর সূরা ও কর্ম পরিষদ সদস্য ব্যাংকার সাইফুদ্দিন মনির। বন্দর উপজেলার থানা সেক্রেটারি জনাব মাওলানা আরিফুর রহমান, জামায়াত নেতা ব্যাংকার আমিনুল ইসলাম, ব্যাংকার মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জানে আলম, আলহাজ্ব শামসুদ্দোহা,জাহিদ হোসেন,মোঃ নজরুল ইসলাম মাস্টার, সুমন রানা সহ অসংখ্য জামায়াত নেতাকর্মীরা