বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুর হসপিটাল মোড় থেকে মহানগরী ও জেলা জামায়াতের উদ্যোগে দলের সহিস্রাধিক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
বিকেল ৪:৩০ ঘটিকায় খানপুর হসপিটাল রোডে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে সভাপতির সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে শেষ হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ এর সাবেক আমির মাওলানা মঈন উদ্দিন আহমদ বলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপোষহীণ ভাবে ভারতীয় প্রভুত্ববাদ মেনে না নেওয়ায় বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ওপর নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়েছিলো। তিনি আরো বলেন ক্যাঙারু বিচার ব্যবস্থার মাধ্যমে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের হত্যা ও কারান্তরীণ করা হয়েছে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমদ বলেন, বিগত জুলুমবাজ সরকার ফাঁসি দিয়েছে মতিউর রহমান নিজামীকে, ফাঁসি দিয়েছে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদকে, ফাঁসি দিয়েছে কাদের মোল্লা সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে। ৬/৭ মাস আগে যারা আন্দোলন করেছিলো, তারা বৈষম্য দূর করতে চেয়েছিলো, তারা ন্যায় বিচারের লক্ষ্যে জাস্টিস কায়েম করতে চেয়েছিল।বাংলাদেশ বৈষম্য দূর করতে ব্যর্থ হয়েছে, এই সরকার জাস্টিস কায়েম করতে ব্যর্থ হয়েছে। আজহারুল ইসলামকে মুক্তি দেওয়ার আগে পর্যন্ত বৈষম্য দূর করা যাবে না। বাংলাদেশে ২৪ এর আন্দোলনে যে চেতনা ছিলো, সেই চেতনার আলোকে আজহারুল ইসলামকে মুক্তির দাবি করেন। তিনি বলেন প্রিয় নারায়ণগঞ্জবাসী আপনারা জানেন, নারায়ণগঞ্জে যেই সন্ত্রাস বাহিনী ছিলো তারা পালিয়েছে। আমি আপনাদেরকে ন্যায়ের পথে, সৎ শাসনের পক্ষে থাকার আহবান জানাচ্ছি।
তবে ৫ আগস্টে দেশ ফ্যাসিজম মুক্ত হওয়ার পর অনেকেই কারাগার থেকে মুক্তি পেলেও জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলাম কে ১৫ বছরের অধিক সম্পুর্ন অন্যায় ভাবে আটক করে রাখা হয়েছে। আমরা বলতে চাই অনতিবিলম্বে আমাদের মজলুম নেতা কে মুক্তি দিতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় জেলা আমির মমিনুল হক সরকার বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের জনপ্রিয় নেতা এটিএম আজহার ভাইকে মুক্তি না দিলে দূর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে মুক্তির ব্যবস্থা করা হবে ইনশাআল্লাহ।
সভাপতির বক্তৃতায় মহানগর আমির মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসররা প্রশাসনে এখনো বহাল তবিয়তে, যার কারনে আমরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত, দ্রুত সময়ের মধ্যে দোসরদের উৎখাত করতে হবে, সেই সাথে এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তি নিশ্চিত ও দলীয় নিবন্ধন এবং প্রতীক ফিরিয়ে দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন অন্যথায় কঠোর থেকে কঠোর আন্দোলনের
ডাক দেওয়া হবে।
মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইনের সঞ্চালনায়
এসময় অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা সেক্রেটারি মো হাফিজুর রহমান, মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন, জেলা সহকারী সেক্রেটারি আবু সাঈদ মুন্না, মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি এইচ এম নাসির উদ্দিন, মহানগরী ও জেলা কর্ম পরিষদের সদস্য ও থানা, ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মী ।
নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতের সাবেক সহকারী সেক্রেটারি সাইফুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মহানগরী আমীর ও সেক্রেটারির যৌথ শোক সমবেদনা
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি মুহতারাম মোঃ সাইফুল ইসলাম ভাইয়ের মা ১৭ ফেব্রুয়ারি আনুমানিক বিকাল ৫ ঘটিকায় গাজীপুরে তার সেজো ছেলের বাসায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মরহুমার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সম্মানিত আমীর মুহতারাম মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ও সেক্রেটারি মুহতারাম ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন।
যৌথ শোক বাণীতে নেতৃবৃন্দ মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। নেতৃবৃন্দ শোকবানীতে বলেন, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেন মরহুমার সকল গুনাহ মাফ করেন এবং তাকে জান্নাতুল ফিরদাউসের উচ্চ মাকামের মেহমান হিসেবে কবুল করেন। সাথে সাথে শোক সন্তপ্ত পরিবারের সকল সদস্য যেন সবরে জামিল ধারণ করতে পারেন আল্লাহর নিকট সেই তৌফিক কামনা করে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হাতিরঝিল থানা পশ্চিমের উদ্যোগে ঢাকা উত্তরের ৩৫নং ওয়ার্ড মহল্লায় গতকাল শুক্রবার জুমা’র নামাজ শেষে গণসংযোগ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি মু. আতাউর রহমান সরকার।
গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন থানা আমীর মো. ইউছুফ আলী মোল্লা, নায়েবে আমীর নুরুল ইসলাম আকন্দ, থানা সেক্রেটারি মো: রাশেদুল ইসলাম, থানা কর্মপরিষদ সদস্য , আকতার হোসাইন,শামীম হোসাইন, মহিউদ্দিন গাজী,ওয়ার্ড সভাপতিআব্দুল বাশির ইকবাল হোসেইন,আশিকুর রহমান প্রমুখ।
গণসংযোগ ও মিছিলটি মগবাজার চান জামে মসজিদ গেট থেকে শুরু হয়ে মগবাজারের বিভিন্ন মহল্লা প্রদক্ষিণ করে ওয়্যারলেস মোড়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
পতিত স্বৈরাচার নতুন করে দেশ ও জাতিস্বত্ত্বাবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে; তাই ফ্যাসীবাদের সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করতে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন
তিনি আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর বিমানবন্দর থানা জামায়াত আয়োজিত এক কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। থানা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা এনামূল হক শিপনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি আব্দুল্লাহর পরিচালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম,কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য জামাল উদ্দিন।
সেলিম উদ্দিন বলেন, দেশ এক মহাক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। অর্জিত বিজয় ও বিপ্লবকে বিতর্কিত করার জন্য পতিত ফ্যাসীবাদ এবং তাদের দোসররা দেশকে অস্থিতিশীল করার নানাবিধ অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। এমতাবস্থায় দেশ বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় জামায়াতে ইসলামী সহ দেশপ্রেমী শক্তিগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। গড়তে হবে জামায়াত-শিবির-জনতার বৃহত্তর ঐক্য। তাহলে গণবিরোধী ও আধিপত্যবাদীদের সকল স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে। মূলত, অর্জিত বিজয়কে টেকসই ও দেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হলে প্রতিটি ঘরে ঘরে মানুষের মধ্যে গণসচেতনা তৈরি করতে হবে। তিনি দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় দেশপ্রেমী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ড. রেজাউল করিম বলেন, আওয়ামী-বাকশালীরা কথাকথিত বিচারের নামে দেশকে বাধ্যভূমিতে পরিণত করেছিলো। তারা জনপ্রিয় ও দেশবরণ্যে জাতীয় নেতাদের হত্যা করে দানবীয় মাতমে মেতে উঠেছিলো। আওয়ামী লীগ লাখ লাখ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীর নামে নির্বিচারে মামলা, গণগ্রেফতার, রিমান্ডের নামে নির্যাতন এবং মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগে সাজানো বিচারের মাধ্যমে নানাভাবে দণ্ডিত করেছিলো। কিন্তু ইতিহাসের নির্মম পরিহাসে তারা এখন ক্ষমতা হারিয়ে ব্যাপকভিত্তিক গণহত্যার অভিযোগে হাজার হাজার মামলার মুখোমুখি হয়ে তাদের নেত্রী শেখ হাসিনা সহ প্রায় সকলেই দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, গুম, অপহরণ, গুপ্তহত্যা নানা ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।
তিনি খুনী শেখ হাসিনা সহ তার দোসরদের অবিলম্বে বিচারের মুখোমুখি করতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। অন্যথায় দেশ ও জাতি কলঙ্কমুক্ত হবে না।
ইসলাম একটি শ্বাসত ও পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান, তাই শুধুমাত্র কুরআন-সুন্নাহর আলোকে ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক শাসন ব্যবস্থায় পারে অধিকারহারা মানুষের অধিকারের নিশ্চয়তা দিতে’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
তিনি আজ রাজধানীর একটি মিলনায়তনে মোহাম্মদপুর থানা পশ্চিম জামায়াত আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। থানা আমীর মোঃ মাসুদুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারী মোঃ রবিউল ইসলামের রুবেলের পরিচালনায় সুধী সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১৩ আসনের গণমানুষের নেতা মোবারক হোসাইন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিস শূরা ও মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য জিয়াউল হাসান, বক্তব্য রাখেন, জোন টিম সদস্য ডা. শফিউর রহমান, অ্যাডভোকেট আজহার মুন্সি, সাইয়েদ মনজুর, মুক্তিযোদ্ধা শামসুদ্দিন, থানা শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য ইবাদত হোসেন, নূরে আলম সিদ্দিকী, রুহুল আমিন, আশরাফুল আলম, সাইফুর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, মুফতি মারুফ বিল্লাহ, এ্যাডভোকেট তাইয়্যেবুর রহমান ও আলী আহমেদ মজুমদার প্রমূখ।
মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, মানবরচিত মতবাদ কখনোই মানুষের জন্য কল্যাণকর নয়। তাই দেশকে ক্ষুধা, দারিদ্র, অপশাসন-দুঃশাসনমুক্ত করতে ইসলামী শাসন ব্যবস্থার বিকল্প নেই। তিনি পতিত সরকারের অপশাসন-দুঃশাসনের ফিরিস্তি দিয়ে বলেন, আওয়ামী স্বৈরাচার রাষ্ট্রীয় সকল কাঠামো ভেঙে দিয়েছে। তাদের লুটপাট, দুর্নীতি, হত্যা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য দেশে এক কলঙ্কিত ও নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। ফ্যাসীবাদী শাসনে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দখলবাজি এবং লুটতরাজ একটি স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছিলো। তারা পরিকল্পিতভাবে দেশের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধ্বংস করে দিয়ে দেশকে মাফিয়াতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিণত করেছিলো। কেড়ে নেওয়া হয়েছে গণমানুষের সকল মৌলিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু তাদের শেষ রক্ষা হয়নি বরং ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবে তাদেরকে লজ্জাজনকভাবে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে হয়েছে।
তিনি বলেন, বিপ্লবী ছাত্র-জনতা দেশে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার জন্যই রাজপথে অকাতরে জীবন দিয়েছিলো। তাদের স্লোগান ছিলো ' We want justice' । তাই সে বিপ্লবের চেতনা ধারণ করে আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল শ্রেণির মানুষের মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তার নিশ্চিত করতে হবে। মূলত, জামায়াতে ইসলামী একটি গণমুখী ও কল্যাণকামী রাজনৈতিক সংগঠন।আমরা এমন একটি আদর্শ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই, যেখানে সকল মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার পাবে এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি ইসলামী শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে মোবারক হোসাইন বলেন, জামায়াতে ইসলামী মানবতার সেবা; সমাজের ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা আর্ত- মানবতার মুক্তি ও মুক্তির জন্য দেশকে ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা এমন এক ইনসাফপূর্ণ ইসলামী সমাজ কায়েম করতে চাই, যেখানে সকল নাগরিকের নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। তিনি ঢাকা-১৩ আসন সহ ঢাকা নগরীর সকল আসনে সৎ,যোগ্য প্রার্থীকে বিজয়ী করে ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে গতিশীল করতে নগরবাসীর প্রতি আহবান জানান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি মুহতারাম মোঃ সাইফুল ইসলাম ভাইয়ের মা ১৭ ফেব্রুয়ারি আনুমানিক বিকাল ৫ ঘটিকায় গাজীপুরে তার সেজো ছেলের বাসায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মরহুমার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সম্মানিত আমীর মুহতারাম মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ও সেক্রেটারি মুহতারাম ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন।
যৌথ শোক বাণীতে নেতৃবৃন্দ মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। নেতৃবৃন্দ শোকবানীতে বলেন, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেন মরহুমার সকল গুনাহ মাফ করেন এবং তাকে জান্নাতুল ফিরদাউসের উচ্চ মাকামের মেহমান হিসেবে কবুল করেন। সাথে সাথে শোক সন্তপ্ত পরিবারের সকল সদস্য যেন সবরে জামিল ধারণ করতে পারেন আল্লাহর নিকট সেই তৌফিক কামনা করেন।
মজলুম জননেতা এটিএম আজহারের মুক্তির দাবিতে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে বিশাল সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল সফল করার লক্ষ্যে বিশেষ দায়িত্বশীল সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী।
রবিবার সকালে চট্টগ্রাম নগরীর দেওয়ানবাজারের বাংলাদেশ ইসলামিক একাডেমির (বিআইএ) চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের মিলনায়তনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, সংসদীয় দলের সাবেক হুইপ, চট্টগ্রাম মহানগরী আমীর ও সাবেক এমপি আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আমীর আলাউদ্দিন সিকদার, নগর জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. আ জ ম ওবায়েদুল্লাহ ও মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার, মুহাম্মদ উল্লাহ ও ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. এ কে এম ফজলুল হক, কর্মপরিষদ সদস্য ডা. সিদ্দিকুর রহমান, আবু হেনা মোস্তফা কামাল, ওলামা বিভাগের সেক্রেটারি মাওলানা মমতাজুর রহমান, কোতোয়ালী থানা আমীর মুহাম্মদ আমির হোসাইন, কর্মপরিষদ সদস্য আবু বক্কর ছিদ্দিক, হামেদ হাসান এলাহী, ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের সভাপতি তানজির হোসেন জুয়েল প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা মজলুম জননেতা এটিএম আজহারের মুক্তির দাবি জানিয়ে বলেন, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি রোজ মঙ্গলবার বিকাল তিনটায় চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে মজলুম জননেতা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারের মুক্তির দাবিতে বিশাল সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। দলে দলে যোগ দিয়ে সমাবেশ সফল করার আহ্বান জানান তারা।
বক্তারা আরও বলেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা ও সাজানো মামলায় প্রাণদণ্ডে দণ্ডিত করে দীর্ঘ দিন ধরে কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে জননেতা এটিএম আজহারকে। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ পালাতে বাধ্য হলেও তাকে মুক্তি দেয়া হয়নি। অনতিবিলম্বে মজলুম জননেতা এটিএম আজহারকে মুক্তি দেওয়ার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান বক্তারা। অন্যথায় দুর্বার গণআন্দোলনের মাধ্যমে জনগণের নেতাকে জনগণই মুক্ত করে ছাড়বে, ইনশাআল্লাহ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মজলুম জননেতা জনাব এটিএম আজহারুল ইসলামের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে আগামীকাল ১৮ ফেব্রয়ারি দেশব্যাপী আহুত বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল সফল করার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ১৭ ফেব্রুয়ারি এক বিবৃতি প্রদান করেছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, “আগামীকাল ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল
মজলুম জননেতা জনাব এটিএম আজহারুল ইসলামের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সকল মহানগরী এবং সকল জেলায় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল বিকাল ৪টায় পল্টন মোড়ে ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের নেতৃত্ব দিবেন আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল জনাব এটিএম আজহারুল ইসলাম ১৩ বছরেরও অধিক সময় ধরে কারাগারে আটক আছেন। তাঁকে বারবার রিমান্ডে নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। তিনি বেশ কয়েকবার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে ন্যূনতম চিকিৎসা সেবাটুকুও দেয়া হয়নি।
তিনি বলেন, দেশবাসী আশা করেছিল যে, চরম জুলুম-নির্যাতনের শিকার জনাব এটিএম আজহারুল ইসলাম স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশে মুক্তিলাভ করবেন। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের ৬ মাস ৯ দিন অতিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও জনাব এটিএম আজহারুল ইসলামকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলের বিচারিক কার্যক্রমসমূহ সারা বিশ্বে বিতর্কিত, প্রশ্নবিদ্ধ ও প্রত্যাখ্যাত। স্বৈরাচারের আমলে গ্রেফতারকৃত জনাব এটিএম আজহারুল ইসলামকে কারাগারে আটক রাখা তার প্রতি চরম জুলুম ও অন্যায় ছাড়া আর কিছুই নয়। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে তাঁকে এখনো আটক রাখায় জাতি বিস্মিত ও হতবাক।
এহেন পরিস্থিতিতে মজলুম জননেতা জনাব এটিএম আজহারুল ইসলামকে মুক্ত করার লক্ষ্যে সারাদেশে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল সর্বোতভাবে সফল করার জন্য আমি জামায়াতে ইসলামীর সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।”
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মজলুম জননেতা জনাব এটিএম আজহারুল ইসলামের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান ১৬ ফেব্রুয়ারি এক বিবৃতি প্রদান করেছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার জামায়াতকে নেতৃত্ব শূন্য করার লক্ষ্যে জামায়াত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মিথ্যা, সাজানো ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করে দলীয় লোকদের দ্বারা মিথ্যা সাক্ষী দিয়ে ফাঁসির দণ্ড হাসিলের মাধ্যমে তৎকালীন আমীরে জামায়াত ও সেক্রেটারি জেনারেলসহ ৫ জন শীর্ষনেতাকে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করে। সাবেক আমীরে জামায়াত ও নায়েবে আমীরসহ ৬ জন শীর্ষনেতাকে বিচারের নামে প্রহসন করে কারাগারে আটক রাখে। আটক থাকাবস্থায় তারা মৃত্যুবরণ করেন। আওয়ামী সরকারের ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তের নির্মম শিকার হন তদানীন্তন ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মজলুম জননেতা জনাব এটিএম আজহারুল ইসলাম।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার বিগত ২০১১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর জামায়াতের দলীয় কার্যালয় থেকে বের হয়ে বাসায় ফেরার পথে সংগঠনের তদানীন্তন ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল জনাব এটিএম আজহারুল ইসলামকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। রিমান্ডে নিয়ে তাঁর ওপর চরম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে ন্যূনতম চিকিৎসা সেবাটুকুও দেয়া হয়নি। উচ্চ আদালতের নির্দেশে ২০১২ সালে তিনি জামিনে মুক্তি লাভ করার পর নিজ বাসায় অবস্থানকালে পুলিশ তাঁর বাড়ি ঘেরাও করে রাখে। তাঁর বাড়ির চতুর্দিকে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়। পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও দলীয় সহকর্মীদেরকে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হয়নি। আওয়ামী সরকার জনাব এটিএম আজহারুল ইসলামকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করে আবারো তাঁকে বাসা থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।
তিনি বলেন, আওয়ামী সরকার দলীয় লোকদের দ্বারা তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও সাজানো সাক্ষ্য প্রদান করে। একজন সাক্ষী আদালতে বলেছেন যে, তিনি ৭ কিলোমিটার দূর থেকে এবং অপর আরেক সাক্ষী বলেছেন যে, তিনি ৩ কিলোমিটার দূর থেকে ঘটনা দেখেছেন। সাক্ষীদের এই বক্তব্য অবাস্তব ও হাস্যকর। আরেকজন সাক্ষী নিজেকে জনাব আজহার সাহেবের ক্লাসমেট দাবি করে আদালতে আজহার সাহেবের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন। আদালতে উপস্থাপিত ডকুমেন্ট অনুযায়ী আজহারুল ইসলাম ১৯৬৮ সালে কারমাইকেল কলেজ ত্যাগ করেন। আর কথিত সাক্ষী ১৯৭০ সালে কারমাইকেল কলেজে ভর্তি হন। অতএব, আজহারুল ইসলামকে ঐ সাক্ষী তাঁর ক্লাসমেট হওয়ার যে দাবি করেছেন, তা সর্বৈব মিথ্যা। এ ধরনের মিথ্যা সাক্ষ্যের ভিত্তিতে জনাব এটিএম আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
জনাব এটিএম আজহারুল ইসলাম ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় ট্রাইবুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করেন। আপিল বিভাগের চারজন বিচারপতির মধ্যে তিনজন বিচারপতি ট্রাইবুনালের রায় বহাল রাখলেও একজন বিচারপতি এ রায়ের সাথে দ্বিমত পোষণ করেন। জনাব এটিএম আজহারুল ইসলাম সেখানেও ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্ববাসী অবগত আছেন যে, শুধু রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে আদালতের মাধ্যমে বিচারের নামে প্রহসন করে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করাই ছিল আওয়ামী সরকারের মূল উদ্দেশ্য। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের হাতে হাজার হাজার মানুষ, গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আর জামায়াত নেতৃবৃন্দ বিচারিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালে ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ থেকে পালিয়ে যায়। দেশ স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্তিলাভ করে। রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় ফ্যাসিস্ট সরকারের গ্রেফতারকৃত অনেক নেতাকর্মী মুক্তিলাভ করেন। রাষ্ট্রপতির আদেশে অনেককে তৎক্ষণাৎ মুক্তি দেওয়া হয়। দেশবাসী আশা করেছিল যে, চরম জুলুম-নির্যাতনের শিকার জনাব এটিএম আজহারুল ইসলাম স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশে মুক্তিলাভ করবেন। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের ৬ মাস ৮ দিন অতিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও জনাব এটিএম আজহারুল ইসলাম মুক্তিলাভ করেননি। জামায়াত স্বৈরশাসনামলে জুলুম এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছে। আর স্বৈরশাসন মুক্ত বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী এখনো বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে বিচারিক কার্যক্রমসমূহ সারা বিশ্বে বিতর্কিত, প্রশ্নবিদ্ধ ও প্রত্যাখ্যাত। স্বৈরাচারের আমলে গ্রেফতারকৃত জনাব এটিএম আজহারুল ইসলামকে কারাগারে আটক রাখা তার প্রতি চরম জুলুম ও অন্যায় ছাড়া আর কিছুই নয়। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে তাঁকে এখনো আটক রাখায় জাতি বিস্মিত ও হতবাক। দেশবাসী স্বৈরাচারের কবল থেকে পরিপূর্ণভাবে মুক্তি চায়। এই পরিস্থিতিতে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল জনাব এটিএম আজহারুল ইসলামকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার জন্য আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।”
বিগত প্রায় ১৬ বছরের অপশাসন-দুঃশাসনে আওয়ামী ফ্যাসীবাদীরা রাষ্ট্রের সকল অঙ্গ প্রতিষ্ঠানকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করেছে; তাই রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কার ও গণহত্যাকারীদের বিচারের পরই দেশে কার্যকর নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের গণমানুষের নেতা সাইফুল আলম খান মিলন।
তিনি
গতকাল রাত ৮টায় মগবাজারস্থ আল ফালাহ মিলনায়তনে হাতিরঝিল অঞ্চল জামায়াত আয়োজিত সদস্য (রুকন) সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জোন পরিচালক হেমায়েত হোসাইনের সভাপতিত্বে এবং সহকারি জোন পরিচালক,মহানগরীর প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকারের পরিচালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম। উপস্থিত ছিলেন তেজগাঁও দক্ষিণ আমীর ইঞ্জিনিয়ার নোমান আহমেদি, তেজগাঁও উত্তর আমীর হাফেজ আহসান উল্লাহ, হাতিরঝিল পশ্চিম আমীর ইউসুফ আলী মোল্লা, শিল্পাঞ্চল থানা আমীর কলিম উল্লাহ,শেরেবাংলা নগর দক্ষিণ থানা আমীর আবু সাঈদ মণ্ডল ও হাতিরঝিল পূর্ব সেক্রেটারি খন্দকার রুহুল আমিন প্রমূখ।