Image
নাবিল গ্রুপের সাথে জামায়াতকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ

অনলাইন পোর্টাল বাংলা আউটলুকে গতকাল ১২ ফেব্রুয়ারী “১৩ হাজার কোটি টাকা লুটেও বহাল তবিয়তে নাবিল গ্রুপ, নেপথ্যে জামায়াতের আশকারা?” শিরোনামে প্রকাশিত ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রাজশাহী মহানগরীর আমীর ড. মাওলানা কেরামত আলী আজ ১৩ ফেব্রুয়ারী প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “বাংলা আউটলুক অনলাইন পোর্টালে অনুসন্ধানী রিপোর্টার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাথে নাবিল গ্রুপের রাজনৈতিক সংস্লিষ্টতা সম্পর্কে যে সব অভিযোগ করেছেন তার কোন ভিত্তি নেই।

বিবৃতিতে ড. মাওলানা কেরামত আলী আরও বলেন, গত ১৮ জানুয়ারী রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা ময়দানে জামায়াতে ইসলামীর সম্মেলনে লক্ষ জনতার পাশাপাশি রাজশাহীর বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। সেই সম্মেলনে রাজশাহী মহানগরীর আমীরের অজ্ঞাতসারে নাবিল গ্রুপের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম স্বপন মঞ্চে উঠে পড়েন। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোন পর্যায়ের কর্মী নন। নাবিল গ্রুপের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং এসকল প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক ঋনও একান্ত তার নিজস্ব এবং এর ভালো মন্দের দায়ও একমাত্র তার নিজের। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাথে এর কোন সংশ্লিষ্টতা নেই।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গণমানুষের দল। জামায়াত নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় বাংলাদেশকে একটি কল্যাণ রাষ্ট্র হিসাবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে মুলত জনগণের নিকট জামায়াতে ইসলামীকে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। আমি বাংলা আউটলুক অনলাইন পোর্টালের এই প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং আশা করছি যে, পোর্টালটি আমার এ প্রতিবাদটি সকলের জানার জন্য যথাস্থানে ছাপিয়ে সাংবাদিকতার নীতির প্রতি শ্রদ্ধা দেখাবেন এবং এর মাধ্যমে ভুল বুঝাবুঝির অবসান হবে।”


Image
একটি স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে হলে আগে দেশ থেকে ১৫ বছরের জঞ্জাল মুক্ত করতে হবে : মোবারক হোসাইন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব মোবারক হোসাইন বলেন, বিগত সাড়ে ১৫ বছরে দেশে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি; নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে মাত্র। নতুন প্রজন্ম যাদের বয়স ৩০/৩৫ বছরে হয়েছে তারা এখন পর্যন্ত কোনো ভোট দিতে পারেনি। একটি স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে হলে আগে দেশ থেকে ১৫ বছরের জঞ্জাল মুক্ত করতে হবে; পাশাপাশি প্রশাসনে লুকিয়ে থাকা আওয়ামী দোসরদেরকে সরাতে হবে। পতিত ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার করা না হলে এই নতুন প্রজন্ম ভোট প্রদানের ব্যাপারে আশাহত হয়ে পড়বে। তাই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে যতটুকু মৌলিক সংস্কার হওয়া প্রয়োজন, সেই সংস্কারটুকু সম্পন্ন করেই যৌক্তিক সময়ের মধ্যে সংসদ নির্বাচন দেওয়া উচিত।

১২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগরী উত্তরের মুহাম্মাদপুর, আদাবর ও শেরেবাংলানগর অঞ্চল জামায়াতে ইসলামীর ওয়ার্ড দায়িত্বশীলগণের এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ডা. রেজাউল করিম। উপস্থিত ছিলেন থানা আমীরবৃন্দ যথাক্রমে মোঃ মাসুদুজ্জামান, মোহাম্মদ মশিউর রহমান, মোঃ আব্দুল হান্নান, মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, মোহাম্মদ আবদুল আওয়াল আযম, মোঃ আল-আমিন সবুজ, মোঃ মশিউর রহমান। অঞ্চল টিম সদস্য আব্দুল ওয়াজিদ কিরন ও ডাক্তার শফিউর রহমান প্রমুখ।

সমাবেশের সভাপতি ড. রেজাউল করিম বলেন, পতিত স্বৈরাচারের দোসররা দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে নাশকতা করে অন্যের ঘাড়ে চাপানোর অপকৌশল হাতে নিয়েছে। এ ব্যাপারে ছাত্র-জনতাকে সচেতন থাকতে হবে। কিছুতেই তাদের পাতানো ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না। দেশবাসীকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সকল ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত নস্যাৎ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে গণ মানুষের সংগঠনে পরিণত করতে হবে। এজন্য বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। ব্যাপক ভিত্তিক দাওয়াতি কাজের মাধ্যমে সংগঠনকে মজবুত করতে হবে। এ সময় তিনি ২০২৫ সালের সাংগঠনিক পরিকল্পনা দায়িত্বশীলগণের মাঝে বুঝিয়ে দেন।


Image
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজাকে জাহান্নাম বানানোর হুমকি দিয়ে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছেনঃ অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার

আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরের মধ্যে গাজায় আটকে রাখা সব ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি না দিলে ‘গাজা জাহান্নাম হয়ে যাবে’ বলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট মি. ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ১০ ফেব্রুয়ারি যে হুমকি দিয়েছেন তার নিন্দা জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ১২ ফেব্রুয়ারি নিম্নোক্ত বিবৃতি প্রদান করেছেন:-
“গাজায় আটকে রাখা সব ইসরায়েলি জিম্মিকে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি দুপুরের মধ্যে মুক্তি না দিলে ‘গাজা জাহান্নাম হয়ে যাবে’ বলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট মি. ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ১০ ফেব্রুয়ারি যে হুমকি দিয়েছেন আমি তার নিন্দা জানাচ্ছি। ইসরায়েলিরা গাজায় যুদ্ধবিরতির চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করার কারণেই হামাস বন্দী মুক্তি স্থগিত ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজাকে জাহান্নাম বানানোর হুমকি দিয়ে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছেন। তার এ হুমকি সম্পূর্ণ অন্যায়, অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত। তার এ উস্কানিমূলক হুমকিতে সারা বিশ্বের শান্তিকামী মানুষ হতবাক ও বিস্মিত। এ হুমকি প্রদান করে তিনি আবার মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির আগুন জ্বালানোর ষড়যন্ত্রেরই ইঙ্গিত দিলেন। তার এ বক্তব্যে গোটা বিশ্বে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে এবং আরব দেশগুলোর মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এ ধরনের হুমকি প্রদান করা থেকে বিরত থেকে হামাস ও ইসরায়েলির মধ্যে স্বাক্ষরিত যুদ্ধ বিরতির চুক্তি সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করতে ইসরায়েলিদের বাধ্য করার জন্য আমি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”


Image
নির্বাচন কমিশনের সাথে জামায়াতে ইসলামীর বৈঠক অনুষ্ঠিত

১৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারের নেতৃত্বে ৬ সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দলের সাথে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য ও অর্থবহ করার বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়।
জামায়াতের প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল জনাব হামিদুর রহমান আযাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এডভোকেট মুহাম্মাদ জসীম উদ্দিন সরকার এবং এডভোকেট ইউসুফ আলী ও এডভোকেট কামাল উদ্দিন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে ৪ জন নির্বাচন কমিশনার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময়কালে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার সম্পন্ন করে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করার ব্যাপারে জামায়াতের প্রতিনিধি দল তাগিদ দেন। তারা বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নতি করা প্রয়োজন; যাতে মানুষ নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে অবাধে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
প্রতিনিধি দল আরও বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য যতটুকু সংস্কার করা প্রয়োজন, তা দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার প্রয়োজনে সংস্কার করতে যতটুকু সময় প্রয়োজন, জামায়াতে ইসলামী সেটুকু সময় দিতে প্রস্তুত। এজন্য জামায়াতে ইসলামী কোনো দিন-ক্ষণ ও সময় বেঁধে দেয়নি। তবে এ সময়টি দীর্ঘ হওয়া উচিত নয়।
মতবিনিময় অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামায়াত নেতৃবৃন্দ এবং কমিশনের কর্মকর্তাগণ উভয়ের বক্তব্য ধৈর্য ও মনোযোগ দিয়ে শুনেন। উভয় পক্ষই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে একমত হন।


Image
আমীরে জামায়াতের আগমন উপলক্ষ্যে আইনজীবীদের জেলা ও মহানগরী জামায়াত নেতৃবৃন্দের মত বিনিময়

নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াত ইসলামীর আমীর আব্দুল জব্বার বলেছেন, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছে তারা সকলেই আমাদের সকলের শক্তি। তাদের ঋণ পরিশোধ করতে চাইলে জাতির মধ্যে কোনো অনৈক্য থাকার সুযোগ নাই। এজন্য আমাদের জনসভা সমাবেশ মিটিং মিছিল সবকিছুর মূল হচ্ছে জাতিকে আরও ঐক্যবদ্ধ করা এবং এক চিন্তা মতের ভিত্তিতে পুরো দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখা। এটা করতে পারলে বাইরের কোনো কূটকৌশল পরিকল্পনা দেশের অগ্রযাত্রাকে থামাতে পারবে না।
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জ আদালতপাড়া সংলগ্ন এলাকায় এক প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ওসমানী পৌর স্টেডিয়ামে জনসভাকে কেন্দ্র করে আইনজীবী থানার উদ্যোগে এই প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়।
আব্দুল জব্বার বলেন, সত্যকে প্রতিষ্ঠার জন্য যে ন্যায় ইনসাফ ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা জামায়াত ইসলামী বলছে। সেই স্লোগানের অগ্রনায়ক হিসেবে বাংলাদেশে জামায়াত ইসলামীর আমীরে জামায়াত সারাদেশের মানুষের মধ্যে স্বপ্ন জাগিয়েছেন। সেই স্বপ্নের সাথে মানুষ একাকার হয়ে স্লোগান তুলেছে আমাদের নেতা চাই আমানতদার ন্যায় ইনসাফের ভিত্তিতে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারবে এ ধরণের নেতাকে দিনের ভোট দিনে দিয়ে নির্বাচিত করতে চাই।
তিনি আরও বলেন, সেই জায়গাকে শক্তিশালী করার জন্য আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পৌর স্টেডিয়ামে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। অনেকেই বলছেন সেদিন কি পরিমাণ মানুষ হবে কল্পনা করতে পারছি না। আগে যারা খেলা হবে বলেছিলো তাদের পোগ্রামে ১০ থেকে ১৫ হাজারের বেশি লোক হয়নি। তাদের উপস্থিতি ছিলো গার্মেন্টস বন্ধ করে খেটে খাওয়া মানুষদেরকে জোর করে এনে পোগ্রামে নিয়ে আসতো। আমরা কোনো খেলা হবে বলবো না। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ইসলামের পক্ষে জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হবে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা জামায়াতের আমীর মমিনুল হক সরকার, মহানগর সেক্রেটারী ইঞ্জিনিয়ার মনোয়ার হোসাইন, সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট হাফিজ মোল্লা, জেলা আইনজীবী সমিতির সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মাঈনুদ্দিন মিয়া, আইনজীবী থানার সভাপতি জাহাঙ্গীর দেওয়ান, সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন, সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট আক্তার হোসেন, সহকারী সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমান সহ অন্যান্য আইনজীবীরা।


Image
যানবাহন ভাঙচুর ও গাড়িতে আগুন বেক্সিমকো শ্রমিকদের

গাজীপুরে বেক্সিমকো গ্রুপ ও আশপাশের কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে চন্দ্রা নবীনগর মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিক বিক্ষোভ হয়েছে। এ সময় যানবাহন ভাঙচুর এবং কয়েকটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।


Image
জার্সিতে পাকিস্তানের নাম লিখতে বাধ্য হচ্ছে ভারত!

নিজেদের জার্সিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক পাকিস্তানের নাম লিখতে আপত্তি জানায় ভারত। যদিও এবার আইসিসির হস্তক্ষেপে নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসছে তারা।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জার্সি ইস্যুতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নতুন সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া ক্রিকবাজকে বলেন, ‘আইসিসি নির্দেশনা যাই হোক আমরা সেটা অনুসরণ করব।’

ভারতের আপত্তির কারণে শেষ পর্যন্ত হাইব্রিড মডেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয় আইসিসি। এই নিয়মে ভারত তাদের ম্যাচগুলো খেলবে দুবাইতে।

নিজেদের জার্সিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আয়োজক পাকিস্তানের নাম লিখতে আপত্তি জানায় ভারত। যদিও এবার আইসিসির হস্তক্ষেপে নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসছে তারা।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জার্সি ইস্যুতে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নতুন সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া ক্রিকবাজকে বলেন, ‘আইসিসি নির্দেশনা যাই হোক আমরা সেটা অনুসরণ করব।’

ভারতের আপত্তির কারণে শেষ পর্যন্ত হাইব্রিড মডেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয় আইসিসি। এই নিয়মে ভারত তাদের ম্যাচগুলো খেলবে দুবাইতে।



Image
মোদিকে নিয়ে স্ট্যাটাস, গুম তিন প্রকৌশলী

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে ২০২০ সালে ভারতের হিন্দুত্ববাদী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রধান অতিথি করার প্রতিবাদে ফেসবুকে লেখালেখি করায় তিন প্রকৌশলীকে গুম করে ভয়াবহ নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা এবং গুমের সময় অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। গুমের ঘটনায় র‌্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তাকেও শনাক্ত করেছেন তারা।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে ২০২০ সালে ভারতের হিন্দুত্ববাদী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রধান অতিথি করার প্রতিবাদে ফেসবুকে লেখালেখি করায় তিন প্রকৌশলীকে গুম করে ভয়াবহ নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা এবং গুমের সময় অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। গুমের ঘটনায় র‌্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তাকেও শনাক্ত করেছেন তারা।


বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে ২০২০ সালে ভারতের হিন্দুত্ববাদী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রধান অতিথি করার প্রতিবাদে ফেসবুকে লেখালেখি করায় তিন প্রকৌশলীকে গুম করে ভয়াবহ নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা এবং গুমের সময় অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। গুমের ঘটনায় র‌্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তাকেও শনাক্ত করেছেন তারা।





Image
গণপ্রতিনিধিত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠায় দলমত নির্বিশেষে সকলকে রাজপথে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, অপার সম্ভাবনার দেশ আমাদের এই প্রিয় জন্মভূমি। কিন্তু নেতিবাচক ও বিভেদের রাজনীতির কারণেই আমরা সে সম্ভবনাগুলোকে কাজে লাগাতে পারছি না। ক্ষমতাসীনদের অতিমাত্রায় ক্ষমতালিপ্সার কারণেই দেশ এখন নানাবিধ সঙ্কটে পড়েছে। তাই দেশ ও জাতিকে এই গভীর সঙ্কট থেকে বাঁচাতে সকলকে আবারো ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। গণপ্রতিনিধিত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠায় দলমত নির্বিশেষে সকলকে রাজপথে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
তিনি আজ ৩১ মে জুমা’বার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা জেলা দক্ষিণ আয়োজিত উপজেলা/থানা মাজলিসে শূরা সদস্য সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা আমীর মাওলানা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি এবিএম কামাল হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার। সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা নায়েবে আমীর জনাব মোঃ শাহিনুর ইসলাম, জামায়াত নেতা ডা: শহিদুজ্জামানসহ জেলা ও থানা নেতৃবৃন্দ।
মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, “সরকার দেশকে মেধা ও নেতৃত্বশূণ্য করতেই নানাবিধ ষড়যন্ত্রের আশ্রয় গ্রহণ করেছে। এজন্য তারা দেশপ্রেমী ও আদর্শবাদী শক্তি জামায়াতকে বিশেষভাবে টার্গেট করে শীর্ষনেতৃবৃন্দকে অন্যায়ভাবে হত্যা করে দেশকে বধ্যভূমিতে পরিণত করেছে। কিন্তু শত জুলুম-নির্যাতন চালিয়েও জামায়াতের অগ্রযাত্রা রোধ করতে পারেনি এবং পারবেও না ইনশাআল্লাহ। সকল প্রকার জুলুম-নির্যাতন উপেক্ষা করেই জামায়াত একদিন লক্ষ্যে পৌঁছতে সক্ষম হবে এবং জাতিকে নেতৃত্ব দেবে।” তিনি ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠায় সকলকে একযোগে ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহবান জানান।
তিনি বলেন, “ইসলামী আন্দোলনের পথ কখনো ফুল বিছানো ছিল না; এখনো নয়। জুলুম-নির্যাতন ইতিহাসের ধারাবাহিকতা। আর বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় জামায়াত একটি দূর্জেয় ও অপ্রতিরোধ্য শক্তি। তাই জামায়াতের বিজয় ঠেকানোর সাধ্য কারো নেই। এমতাবস্থায় বাতিল শক্তির জুলুম-নির্যাতনে হতোদ্দম হলে চলবে না বরং সকল বাধা-প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করেই দ্বীনকে বিজয়ী করার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালাতে হবে। সংগঠনের সকল পর্যায়ে ভ্রাতৃত্বের পরিবেশ রক্ষা সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।”
মাওলানা আব্দুল জব্বার বলেন, “আমাদের নতুন প্রজন্মকে ধ্বংসের জন্য দেশে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চলছে। তাই দেশ ও জাতিকে অপসংস্কৃতির বেড়াজাল থেকে বাঁচাতে জাতিকে আত্মসচেতন করে তুলতে হবে। আর ইসলামী আন্দোলনের দায়িত্ব একটি আমানত। তাই দায়িত্বশীলদের আমানতের খেয়ানত করলে চলবে না বরং স্ব-স্ব দায়িত্ব ঈমানী দায়িত্ব হিসাবে যথাযথভাবে পালন করতে হবে। দুনিয়ায় শান্তি ও আখেরাতে মুক্তির জন্য সকলকে দ্বীনি কাজে আপোষহীন থাকতে হবে।”


Image
সংবাদপত্র ও মিডিয়া দলননীতির প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান

১৬ জুন সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ১৫ জুন এক বিবৃতি প্রদান করেছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, “তৎকালীন সরকার ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশে একদলীয় শাসন কায়েমের লক্ষ্যে বাকশাল গঠন করে করে দেশ থেকে গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠিয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় সেই বাকশালী সরকার ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন দৈনিক বাংলা, বাংলাদেশ টাইমস, ইত্তেফাক ও বাংলাদেশ অবজারভার-এ চারটি সংবাদপত্র সরকারি নিয়ন্ত্রণে চালু রেখে বাকী সকল সংবাদপত্রের প্রকাশনা বাতিল করে দিয়ে সংবাদপত্র ও মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করেছিল। ফলে হাজার হাজার সাংবাদিক, কর্মচারী ও কর্মকৌশলী বেকার হয়ে পড়েছিল। বেকারত্বের অভিশাপ মাথায় নিয়ে সাংবাদিক-কর্মচারী ও কর্মকৌশলীগণ পরিবার-পরিজন নিয়ে অনাহার-অর্ধাহারে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয়েছিল। সংবাদমাধ্যম ও বাক-স্বাধীনতা হরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি একটি কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত।

বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, একইভাবে বর্তমান সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসেই সংবাদপত্র ও মিডিয়ার উপর দমন-নিপীড়ন অব্যাহত রেখেছে। তারই ধারাবাহিকতায় দৈনিক আমার দেশ, চ্যানেল ওয়ান, দিগন্ত টেলিভিশন ও ইসলামিক টিভির সম্প্রচার এবং বহু অনলাইন নিউজ পোর্টালসহ বেশকিছু সংবাদপত্র ও মিডিয়ার প্রকাশনা অন্যায়ভাবে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। ফলে গত ১৫ বছরে এই সরকারের আমলে হাজার হাজার সাংবাদিক বেকারত্বের মুখে পড়েছে। বাংলাদেশের গণমাধ্যম এখন ইতিহাসের সবচেয়ে ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। বস্তুনিষ্ঠ ও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অকল্পনীয় হুমকির মুখে পড়েছে সাংবাদিকদের জীবন ও জীবিকা। এ সব গণবিরোধী কর্মকা-ের মাধ্যমে সরকারের কুৎসিত চেহারাই অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের মুখ বন্ধ করতে বর্তমান সরকার ২০১৮ সালের অক্টোবরে ৩২ ধারা হিসেবে পরিচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নামে জঘন্য কালাকানুন তৈরি করে। আইনটি নিবর্তনমূলক হওয়ায় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও দেশি-বিদেশি সংবাদপত্র সংস্থার চাপের মুখে পড়ে সরকার। সরকার আইওয়াশ হিসেবে আবারো ২০২৩ সালে আগের আইনটির নামে মাত্র কিছু ধারা পরিবর্তন করে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ নতুন শিরোনাম দিয়ে আরেকটি কালাকানুনের ব্যবস্থা করে। দেশের জনগণ মনে করে, এই আইনটিও নতুন অবয়বে নিবর্তনমূলক আইন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে মাত্র।

তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা দমনে বর্তমানে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইনটি’ অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই নিবর্তনমূলক কালাকানুনে বহু সাংবাদিক ও মুক্তচিন্তার মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে এবং তাঁদেরকে বিনা অপরাধে বছরের পর বছর জেলে আটকে রাখা হয়েছে। দেশের সকল রাজনেতিক দল, বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিক সমাজ এ কালো আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা সত্ত্বেও সরকার সেদিকে মোটেই কর্ণপাত করেনি। মূলত সাংবাদিক সমাজের কলম বন্ধ করতেই সরকার নতুন এই কলাকানুনটি প্রণয়ন করেছে।

সাংবাদিক, সংবাদপত্র ও মিডিয়ার উপর জুলুম-নিপীড়ন এবং দমননীতি বন্ধ করে দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি, চ্যানেল ওয়ানের সম্প্রচার এবং আমার দেশ পত্রিকার প্রকাশনার উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে প্রত্যাহার করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। সেই সাথে সরকারের সংবাদপত্র ও মিডিয়া দলননীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার জন্য আমি সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী মহলসহ দল-মত-নির্বিশেষে সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”